প্যারাডক্সিক্যাআর জ্যোতিষশাস্ত্রে
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ الأَخْنَسِ، عَنِ الْوَلِيدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ يُوسُفَ بْنِ مَاهَكَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " مَنِ اقْتَبَسَ عِلْمًا مِنَ النُّجُومِ اقْتَبَسَ شُعْبَةً مِنَ السِّحْرِ زَادَ مَا زَادَ " .
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি জ্যোতিষ বিদ্যার কিছু শিক্ষা করলো, সে যেন যাদু বিদ্যার একটা শাখা আয়ত্ত করলো, এখন তা যত বাড়ায় বাড়াক। [৩০৫৮]
সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস নং ৩৭২৬
হাদিসের মান: হাসান হাদিস
অর্থাৎ আমরা দেখছি নেক সুরতে কিসের বীজ বপন করা হচ্ছে!
তিনি প্রতিষ্ঠিত যে এস্ট্রোনমির কথা বলেন, তার ঠিক বিপরীতটাই বলে কুরআন ও সুন্নাহ। কুফরি যাদুশাস্ত্র কাব্বালিস্টিক এস্ট্রনমিকে কুরআন সুন্নাহ দ্বারা অপব্যাখ্যা আর ভ্রান্ত মনগড়া ট্রোল দিয়ে খাপ খাইয়ে নিয়েছেন। তাকে এসব বিষয় প্যারাডক্সিক্যা
তিনি কাফেরদেরই সুডো সাইন্টিফিক বা ন্যাচারাল ফিলসফিক্যাল নোশনকে পরমভক্তির সাথে নিয়ে কুরআন-সুন্নাহর সাথে মিশিয়ে ব্যাখ্যা করেন। তার চেষ্টাটি এরূপ ছিল যে, কোন ব্যক্তি স্যাটানিক ইনক্যান্টেশন উচ্চারণ করে বলছেন এসবই কুরআনে ১৪০০ বছর আগে বলা হয়েছে। এবং ভাইসভার্সা। আল্লাহ হেদায়েত দান করুন। এ বিষয়গুলোর ব্যপারে প্রথম থেকেই বেশ কয়েকজন তাকে বলে আসছিলো এবং বরাবরের মত তার ফ্যানবয়দের রোষানলে পড়েছেন তারা। আজকে দেখাবো আরিফ আজাদ সাহেব কাদের এবং কিরূপ আকিদা কোন উপায়ে প্রমোট করেন, তার ছোট্ট প্রমান দেখাবো। আজ দেখবেন কিভাবে কুফফারদের কুফরি আকিদাগুলোকে এই নামজাদা সেলিব্রেটিগন ইসলামিক স্ট্যাণ্ডার্ডে পজিটিভলি প্রকাশ করে সাধারন লোকেদের আকীদগতভাবে ব্যাধিগ্রস্ত করে।
কয়দিন আগে দেখলাম তিনি একটি লেখা প্রকাশ করেন। সেখানে থিওরি অব এভ্রিথিং/
এক কথায় হিরো বানিয়ে দিয়েছেন।
তিনি নাস্তিক অপবিজ্ঞানী কমিউনিটির সামনে তাকে অনেকটা হিরো হিসেবে উপস্থাপন করেন। তার বিভিন্ন সময়ে বলা কিছু কথাকে কোট আনকোট করে নিয়ে আসেন যার দ্বারা পাঠকদের বোঝাতে চান উনি এক মহান বিজ্ঞানী যিনি কিনা রহমান আল্লাহর অস্তিত্বের কথা বলছেন, তিনি অন্যান্য নাস্তিকদের মত নন, তিনি বিজ্ঞানবলে সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব পেয়ে গেছেন,তিনি একজন আস্তিক বা আল্লাহর অস্তিত্বে বিশ্বাসী!
তার লেখার আরও কিছু অংশ--
"সম্প্রতি ভদ্রলোক বিজ্ঞান জগতকে আরেকটু নড়েচড়ে বসালেন। মহাজাগতিক কণা নিয়ে থিওরিটিক্যাল ফিজিক্সে কাজ করতে গিয়ে উনি সবিস্ময়ে লক্ষ্য করলেন যে, আমাদের এই মহাবিশ্ব তৈরিতে একজন স্রষ্টা থাকা অনিবার্য।
তিনি বলেছেন, 'I have concluded that we are in a world made by rules created by an intelligence'
অর্থাৎ, 'আমরা এমন একটা জগতে আছি যেখানকার সকল নিয়ম একজন বুদ্ধিমান সত্ত্বা কর্তৃক সৃষ্ট।'
তিনি আরো বলেন, 'Believe me, everything that we call chance today won't make sense anymore'
অর্থাৎ, যেটাকে সেক্যুলার তথা নাস্তিকরা একসিডেন্টের ফলে 'বাই চান্স' তৈরি হয়ে গেছে বলে থাকে, বিজ্ঞানী Michio Kaku এটাকে বাতুলতা বলছেন। তিনি বলছেন এরকম একটা Fine-Tuned মহাবিশ্ব কখনোই বাই চান্স তৈরি হতে পারে না।
তিনি বলেন, “To me it is clear that we exist in a plan which is governed by rules that were created, shaped by a universal intelligence and not by chance.”
অর্থাৎ, 'আমার কাছে এটা পরিষ্কার যে, আমরা একটা পরিকল্পনার অংশ যেটা কিছু সুনির্দিষ্ট রুলসের আওতাধীন, যে রুলসগুলো তৈরি করেছেন এবং সাজিয়েছেন একজন বুদ্ধিমান সত্ত্বা।'
আমাদের মহাবিশ্ব এতোই ফাইন টিউনড, এতোই সুপরিকল্পিতভাবে
তিনি বলেছেন, 'The final solution resolution could be that God is a mathematician'-
আরিফ আজাদদের মত অপবিজ্ঞানপন্থী এবং ইরজা আক্রান্ত ইসলামিক লেখকের এই লেখা পড়ে সরল সোজা পাঠক সত্যি সত্যিই তাই ভাবছে যা ভাবিয়েছেন তিনি। কিন্তু এখন আসল ব্যপারটি বুঝলে, ধরতে পারবেন এ সকল ঠান্ডা মাথার ফিতনা সৃষ্টিকারী ইরজাগ্রস্ত 'ইসলামিক লেখকরা' কতটা ভয়ংকর।
আপনারা কেউ কি আন্দাজও করতে পারেন পদার্থবিদ মিচিও কাকু সাহেব তার উক্তিতে "mathematician God/
অনেক পাঠক 'গড অব স্পিনোজা' এর অর্থ বুঝতে পারছেন না। বারুচ স্পিনোজা নামের এক নিকৃষ্ট শ্রেণীর কাফের সর্বেশ্বরবাদকে(
দেখুনঃ https;//en.m.wikipedia.org/wiki/Spinozism
কাকু দাবি করেন তার জীবনের লক্ষ্যই আইনস্টাইনের অসম্পূর্ন স্বপ্নকে সম্পূর্ন করা। একটি "থিওরি অব এভ্রিথিং" প্রতিষ্ঠা করা। তাকে যখনই সৃষ্টিকর্তার কথা জিজ্ঞেসা করা হয় তিনি সব সময়েই ঘুরিয়ে ফিরিয়ে আইনস্টাইনের রেফারেন্স দিয়ে বলতেন, "ইসহাক(আ), ইউসুফ(আ), মূসা(আ) ইত্যাদি নবীদের 'পালনকর্তার অস্তিত্বে বিশ্বাস করা কঠিন'। কিন্তু বারুচ স্পিনোজার সর্বেশ্বরবাদের কুফরি অর্থে 'ঈশ্বর' বা গড শব্দটিতে বিশ্বাস করতেন আইনস্টাইন সাহেব এবং এটাই গ্রহণযোগ্য। তাকে অপর এক সাক্ষাতকারে এ ব্যপারে প্রশ্ন করা হলে উত্তরে তিনি বলেন, তিনি দুইটি ধর্মকে কাছে থেকে দেখেছেন। পরিবারকে বৌদ্ধধর্মে পেয়েছেন কিন্তু আমেরিকায় পেয়েছেন খ্রিষ্টান।
এজন্য তিনি তার থিওরিতে সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্বকে ব্যাখ্যা করতে দুই ধর্মের তথ্যকে একাকার করে একটা জগাখিচুড়ি(কুফরি) দর্শন বানিয়ে নিয়েছেন। পৃথিবীর মহাবিশ্বটা সৃষ্টির বিগব্যাং হবার আগে Nirvana পার হয়ে আসছে। এরপরে নাকি বিবলিক্যাল মহাবিশ্ব সৃষ্টি করছেন! ১১ ডাইমেনশনের হাইপার স্পেসের কস্মিক মিউজিকই নাকি "ঐশ্বরিক মন"(mind of God) । এটা ঠিক তাই-ই যা গড অব Spinoza। এই মন রিড করতেই থিওরি অব এভ্রিথিং এর প্রয়োজন ছিল, যা নিয়ে আজ কাকু কাজ করছেন।
আরেকবার তাকে প্রশ্ন করা হয় তিনি(মিচিও কাকু) সাইন্স ও (প্যাগান)ধর্মততত্বের সংযোগকে কিভাবে দেখেন, তিনি বলেন, "আমার মাথায় দুইটি অংশ সবসময় যুদ্ধে লিপ্ত থাকে, বৌদ্ধধর্মে আমরা বিশ্বাস করি সময়হীন নির্বাণে যেথায় কোন শুরু শেষ বলে কিছু নেই, যখন আমি সানডে স্কুলে পড়ি তখন আমি জেনেসিস পাঠ করি, সেখানে আমি পাই সৃষ্টিজগতের একটি শুরুর(প্রক্রিয়া
কিন্তু আমাদের এখন আরো বেশি হলিস্টিক দৃষ্টিভঙ্গি আছে স্ট্রিং থিওরিতে। যা আমাদের বলে আমাদের দেখতে হবে গোটা মহাবিশ্ব কম্পনশীল স্ট্রিং এর ন্যায় এটা আমাদের বলে কেন পার্টিকেলগুলো মিউজিক্যাল নোটস এর ন্যায়। আমার মনে হয় অধিকাংশ ধর্মেরই কমন একটি বৈশিষ্ট্য হচ্ছে idea of harmony, synthesis । যখন আপনি বিজ্ঞানের দিকে তাকাবেন সেখানেও পাবেন যে বিজ্ঞান প্রাচীন কিছু সমাজের মৌলিক দার্শনিক দিকনির্দেশনা মেনে চলে। হার্মোনির অনুসন্ধান, ঐক্যের(সৃষ্টি স্রষ্টার অস্তিত্বের ঐক্য-ওয়াহদাতুল উজুদ/
অর্থাৎ মিচিও কাকু চমৎকারভাবে অত্যন্ত সুক্ষ্মভাবে তার নিজ আকিদাকে প্রকাশ করেছেন। তিনি বৌদ্ধদের(যেটি মূলত ধর্ম নয় দর্শনমাত্র) সৃষ্টিতত্ত্বের দর্শনকে ইউনিভার্সের একদম ফান্ডামেন্টাল অরিজিন হিসেবে রেখেছেন। (তার কথানুযায়ী)খ্রিষ্টান থিওলজিকে যদি ক্যাথলিকদের মত বিগব্যাং তত্ত্ব দ্বারাও খাপ খাইয়ে নেন এরপরেও নির্বানই সবকিছুর শুরু। অর্থাৎ তার মতে বিবলিক্যাল ঈশ্বর যদি থেকেও থাকে তবে তার উপরে আরো পূর্বে আছে বৌদ্ধমত অনুযায়ী নির্বান!!(নাউজু
এখানেই কাব্বালিস্টিক এস্ট্রোফিজিক্সে
হ্যাঁ, অধিকাংশ (প্যাগান) ধর্মেরই কমন একটা বৈশিষ্ট্য হচ্ছে "আইডিয়া অব হার্মোনি, সিন্থেসিজ",এটাই
অপর এক বিতর্কে কাকু বলেন, "আমার এই দিকে যারা আছেন ১০০% নিশ্চিতভাবে তারা বিশ্বাস করে যে, কোন সৃষ্টিকর্তা নেই। জীবনের কোন উদ্দেশ্য নেই। আর এইদিকের গ্রুপ ১০০% বিশ্বাস করে যে জীবনের মানে আছে এবং একজন ঈশ্বর আছেন। একদিকের লোকেরা শুদ্ধ আরেকদিকের লোকেরা ভুল, তাই তো? আমার ব্যক্তিগত দৃষ্টিভঙ্গি হচ্ছে তারা উভয়েই ভুল।
বিজ্ঞান কি? বিজ্ঞান হচ্ছে ডিসাইডেবল স্টেইটমেন্ট, আমি যদি এখন সেলফোনটি নিচে ফেলে দেই, আমি জানি এটা ডিসাইডেবল, এটা নিচে পড়বে গ্রাভিটির জন্য। সাইন্স এমন সব স্টেটমেন্ট এর উপর প্রতিষ্ঠির যা পরীক্ষার যোগ্য, পুনঃপরীক্ষন যোগ্য, ডিসাইডেবল, ফলসিফাইয়েবল।
সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব আছে কিনা এটা আনডিসাইডেবল(অনির্ধারনযোগ্য)। এটা বিজ্ঞানের অংশ নয়। এটা অনেকটা একটা (পৌরাণিক অলীক প্রানী) ইউনিকর্নের অস্তিত্বকে মিথ্যা প্রমান করার ন্যায়।... এখন, আমি একজন পদার্থবিজ্ঞানী,
আইনস্টাইন বলেছেন দুই ধরনের ঈশ্বরের কথা। এটাই সকল কনফিউশন তৈরির কারন। প্রথম ধরনের ঈশ্বর হচ্ছে ব্যক্তিগতজীবন ঈশ্বর। এটা হচ্ছে প্রার্থনার ঈশ্বর, প্রতিশোধপ্রবন ঈশ্বর, ঐ ঈশ্বর যে প্রার্থনায় সাড়া দেয়, মূসা(আ), ইসহাক(আ),ইয়াকুব
এগুলো থাকত না যদি ইউনিভার্স কোন এক্সিডেন্ট এর দ্বারা তৈরি হত। তাই আমি ঈশ্বরের অস্তিত্বের কোন এভিডেন্স(সাক্ষ্যপ্রমাণ) পাইনা। এর মানে এই নয় তার কোন অস্তিত্বই থাকবে না বা জীবনের কোন মানে বা অস্তিত্বই নেই। আমি শুধুমাত্র ফিজিক্সের ইক্যুয়েশনে এটা খুজে পাচ্ছিনা। তো, আমাদের নিকট 'ঈশ্বরের মনের' একজন ক্যান্ডিডেট আছে। ঐশ্বরিক মনের ক্যান্ডিডেট হচ্ছে এগারো ডাইমেনশনের হাইপার স্পেসের কস্মিক মিউজিক।"
এই হচ্ছে অবস্থা। মিচিও কাকু সুস্পষ্টভাবেই বলে দিলেন যে তিনি সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্বের কোন এভিডেন্সই পান না। আর তার অস্তিত্বটি ইউনিকর্ন এর অস্তিত্বে বিশ্বাসের ন্যায়। এটা নাকি আনডিসাইডেবল! এজন্য তিনি আইনস্টাইনিয়ান প্যান্থেইস্টিক "মাইন্ড অব গডে" বিশ্বাস করেন, যা কি না পৃথিবীর সুশৃঙ্খলিত অবস্থার কারন, মনিস্টিক ঐশ্বরিক ঐ মনের জন্যই সবকিছু এত হার্মোনিয়াস এতটা ম্যাথম্যাটিক্যা
আশা করি এবার বুঝতে পারছেন আরিফ আজাদ সাহেবের ভন্ডামি। তিনি সুস্পষ্ট ভ্রান্ত ও ভন্ডামিপূর্ণ কুফরি আকিদাকে ইসলামিক স্ট্যান্ডার্ডে নিয়ে আসলেন। এমনকি মহান সৃষ্টিকর্তার উপর এটা আরোপ করলেন। তার ভন্ডামির সাফল্য বোঝা যায় তার ওই পোস্টেরই একটি মন্তব্যেঃ
"
Md Abdul Khalique Tapader
ভাই আযাদ এক বিশেষ সময়ে আপনি যে অসাদারন কাজটি করছেন সতিবলতে গেলে এঅল্প বয়সে আল্লাহ আপনাকে মনে হয় তার খাছ কোন বান্দা হিসাবে কবুল করেনিয়া ছেন। এত যুকতি পুরন আবিষ্কার আপনাকে অনেক উপরে নিয়ে যাবে। আপনার মাতাপিতার জন্ম দাতা হিসাবে তাদের সারতক হোক।
5 · Like · React · Reply · Report · Jan 19, 2017"
যাহোক,অবশেষে এই মুশরিকের প্রতি আরিফ আজাদের শ্রদ্ধা এত বেড়ে যায় যে বলেই ফেলেন-"
"বিজ্ঞানী Michio Kaku নিশ্চই কারো এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছেন না। তার গবেষণা, তার উপলব্ধি, তার প্রমান তাকে এই কথাগুলো বলতে বাধ্য করেছে।"!!!!!!
লক্ষ্য করবেন এখানে বারবার আরিফ আজাদ সাহেবের এই কস্মোলজি এবং মিচিওকাকুকে 'কাব্বালিস্টিক কস্মোলজি"র অনুসারী বলেছি। এ কথা মনগড়া বানোয়াট কিছু নয়। স্বয়ং মিচিও কাকু-ই এই কস্মোলজিক্যাল আইডিয়াকে কাব্বালার প্রতিফলন বলেছেন। শুধু তাই নয় তার স্ট্রিং থিওরিটিও কব্বালিস্টিক টেক্সটের প্রতিফলন!!
তিনি বলেনঃ
"আমি একজন থিওরেটিকাল ফিজিসিস্ট এবং আমি বলতে পছন্দ করি, আমি আলবার্ট আইনস্টাইন, নিলস বোর এর মত জায়ান্টদের পদচিহ্ন অনুসরণ করি। আমি কোন দার্শনিক নই। যাহোক, আমি একটা বাস্তব বিষয়ের ব্যাপারে বিমোহিত; স্ট্রিং থিওরি বা থিওরি অব এভরিথিং এর অনেক মৌলিক রহস্য কেমন যেন জোহার এবং কাব্বালারই প্রতিফলন। "
"এটা বরং বিস্ময়কর যে, বর্তমান যুগের কিছু অত্যাধুনিক মহাকাশবিজ্ঞানের
কি ব্যপার বিশ্বাস হচ্ছে না? 😆 আচ্ছা তাহলে দেখে আসুনঃ
https://
এবার আপনিই বলুন, কোন বিষয়টি আরিফ আজাদকে নিশ্চয়তা দিচ্ছে যে "বিজ্ঞানী Michio Kaku নিশ্চই কারো এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছেন না"!!?
অথচ স্পষ্টতই এই ফিজিসিস্ট সরাসরি শয়তানের শাস্ত্রের অনুসরন করছেন এবং আরিফ আজাদ এটাকেই কত সুন্দর লেখার মোড়কে মুড়িয়ে প্রচার করছেন! আজাদ সাহেব এই (মিচিও কাকুর ভাষায়) কাব্বালিস্টিক কস্মোলজিকেই চমৎকারভাবে ইসলামাইজড করে প্রচারের কাজ করেন। আল্লাহ তারে হেদায়েত দান করুন।
এই হচ্ছে আরিফ আজাদ সাহেবের "জ্ঞ্যানের" দৌড়। এবং তার প্রকাশ্য ভণ্ডামি দৃষ্টান্ত। এতদিন এসব আবর্জনা লিখে নাম কামিয়েছে। তার ওই পোস্টটির কন্টেন্ট যেরূপ সঠিক, ঠিক ততটাই শুদ্ধ তার অন্যান্য আর্টিকেলে ভন্ড কালপ্রিটদের অপবিজ্ঞানকে ইসলামাইজড করার মনগড়া লজিক গুলো। এরা এমনই শাস্ত্রের অনুসরন করে যা বাবেল শহর থেকে চারদিকে ছড়িয়েছে, যা সুলাইমান(আ) এর শাসনামলে শয়তানরা আবৃত্তি করত।
একটা প্রশ্ন আসে, আরিফ আজাদ সাহেব কি তাহলে মিচিও কাকু/
একজন লোক কতটা ব্যাধিগ্রস্ত হলে এভাবে সুস্পষ্ট কুফরি আইডিওলজি ও ডক্ট্রিনগুলোকে কুরআন সুন্নাহ দ্বারা কম্প্যাটিবল করে!
দুশ্চিন্তা হয়, কাল আবার ইজরাইলের কাব্বালা ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান র্যাবাঈ মিকাঈল লেইটম্যানের সাথে গলা মিলিয়ে না বলে যে "কাব্বালা হচ্ছে সাইন্স, যার উৎপত্তি প্রাচীন বাবেল শহরে। সাধারন মানুষের দ্বারা একে জাদুবিদ্যা সাব্যস্ত করার মিসকনসেপশন রয়েছে। ", এও না বলা শুরু করে ১৪০০ বছর আগে কুরআনেও.... নাউজুবিল্লাহ।
বস্তুত, সরাসরি না বললেও কিন্তু পরোক্ষভাবে এই কথাটিই বলেন।
পড়ুনঃ https://
এরা মিচিও কাকুর মতানুযায়ী কাব্বালার প্রতিফলন তথা মেইনস্ট্রিম কস্মোলজি/
আরিফ আজাদ সাহেবের পোস্টটির লিংকঃ
https://
তথ্যসূত্রঃ
https://
https://
https://
https://
*****Truth is Stranger Than Fiction*****

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন